রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯

খালেদা ও তারেকের জন্য নয়া বার্তা

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৬

machele

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি পুনর্গঠনের উদ্যোক্তা কামরুল হাসান নাসিম বলেছেন, “বিএনপির কাউন্সিল হবে দলীয় বিপ্লবের পর’’। মঙ্গলবার রাজধানীর ডিআরইউ তে গোলটেবিল মিলনায়তনে বিএনপির আসন্ন কাউন্সিল ইস্যুতে তিনি এই ঘোষনা রেখেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, মা খালেদা ও ভাই তারেক যুক্ত তবে তাঁদের নেতৃত্ব মুক্ত বিএনপি করতে যা করার তাই করতে হবে।
অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনির হোসেনের স্বাগত বক্তব্যের পরেই উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কামরুল হাসান নাসিম।
কামরুল হাসান নাসিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, গেল কয়েকদিনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে আমাদের দলের পক্ষ থেকে একাংশ বলছেন, আগামী মার্চে দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। যা দলের জন্য ভাল দিক বলে আপাত ভাবে বিবেচিত হলেও এই উদ্যোগে আবারো দলীয় ক্ষমতা নিজের করে নেয়ার বাস্তবতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমাদের কে মেনে নিতে হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই করতে গেলে কিংবা তাঁদেরকে স্বৈরাচার আমরা তখনই বলতে পারবো- যখন আমাদের দলের মধ্যকার দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর হবে। কিন্তু যে বিবর্ণ আদলে ব্যক্তি কেন্দ্রিক রাজনীতির স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তে দল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে তাতে করে আমরা গণতন্ত্রকে বিজয়ী করতে পারবো – তেমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই।

সঙ্গত কারনেই দলের ৫টি অসুখ সারানোর জন্য দলীয় বিপ্লব হবে এবং নয়া পল্টন কার্যালয়ের সামনে বসবে জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত। যথারীতি এখানে দলের পক্ষ থেকে আমি বাদীর ভুমিকায় থাকতে চাইবো। বিচারক হিসাবে থাকবেন গেল ২০ বছরের কাউন্সিলরেরা। তারাই দল কে পুনর্গঠন করবেন। দলীয় বিপ্লব কে সফল করতে ওই আদালতের পরিক্রমা চলবে ৭ দিন ১৭ ঘন্টা। এরপরে যদি বিচারকেরা(জনতা-কাউন্সিলর) দলের গঠনতন্ত্র স্থগিত করার নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখে- তবে এরপর নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত দলের গঠনতন্ত্র স্থগিত করার পর পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অর্থবহ কাউন্সিল করা হবে।

সারাদেশের নেতা কর্মীদের বিভ্রান্তি দূর করতে জানানো হচ্ছে- বিএনপির কাউন্সিল নিয়ে যা বলা হচ্ছে তা ব্যক্তি বিশেষের ডাকা কাউন্সিল। দলের পক্ষ থেকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে সারাদেশের কাউন্সিলরদের( গেল ২০ বছরের) কাছে চিঠি যাবে। দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যখন উচ্চ আদালত বসবে তখন ৭ দিনের মধ্যে সকল কাউন্সিলর ঢাকায় আসবেন। অর্থাৎ আমাদের দলের একাংশের ডাকা তবে এখনো পর্যন্ত আমাদের বৈধ কিংবা অবৈধ সেই শীর্ষ নেতৃত্বের সেই কথিত আসন্ন মার্চের কাউন্সিল, কার্যত ‘নকল কাউন্সিল’। এই কাউন্সিল প্রতিহত নয়, এমনিতেই তা দলের ভঙ্গুরতাকে প্রকটিত করবে। কাজেই দলীয় বিপ্লবের পরই হবে বিএনপির অর্থবহ কাউন্সিল।

সেই কাউন্সিলে শুধু এখনকার কাউন্সিলর নয়, গেল ২০ বছরের প্রায় ৫০০০০ হাজার থেকে ৫৫০০০ হাজারের মতো নেতাকর্মী তাদের জনরায় প্রদান করে দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে। অথচ মাত্র ৩০০০ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে পকেট কমিটি করার পাঁয়তারা চলছে। বিএনপিতে ভাঙ্গন নয়, কাউকে এমন কিছু বা এই ধরণের কিছু বলার সুযোগ আমরা দিতে চাই না। আমরা সবাই মিলেমিশে দল পুনর্গঠন করতে চাই। কয়েকজন চাকুরে মুখপাত্রের কথায় বিএনপি আর পরিচালিত হওয়ার সুযোগ নেই। এদের দোষও না। তাঁরা দলের ব্যক্তিগত একান্ত কর্মচারীর মতোই।
রাজনৈতিক লেখাপড়া নেই তাঁদের। কাজেই এদের থেকে গণমাধ্যমেরও সতর্ক থাকতে হবে। আবার দলের দীর্ঘদিনের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে এসব মেরুদণ্ডহীন নেতাদের প্রশংসাও করা দরকার- দল টেকাতে এমন কিছু আনুগত্যের রাজনীতিক থাকা দরকার। কিন্তু সমস্যা অন্যত্র। এরা প্রচলিত রুগ্ন ধারা ভাংতে চায় না। স্বার্থ ও অর্থের জন্য নিজেকে বিক্রি করে রাজনীতি করে। সময়ে সময়ে শাসক দলের সাথে আঁতাত করে জেলে ঢুকে আবার বেরও হয়ে আসে। কৌশলের রাজনীতি করতে যেয়ে দলকে ঠকাচ্ছেন তাঁরা।

অন্যদিকে আমি দলের পক্ষ থেকে বলতে চাই, বিএনপির ‘প্রধান নেতৃত্ব’ নির্ধারিত থাকার সুযোগ নেই। দলে বিদগ্ধ রাজনীতিক জনাব তরিকুল ইসলাম, সাহসী নেতা জনাব হান্নান শাহ, সজ্জন চরিত্রের লেঃ জেঃ মাহবুবুর রহমান সহ অনেকেই রয়েছেন বিএনপিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার। মুখ ফুটে তা তারা বলতে না পারলেও এই প্রজন্মকে সে রকম কিছু করেই গনতান্ত্রিক উপায়ে শীর্ষ নেতৃত্ব বের করে নিয়ে আসতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বের কাছে নেতৃত্ব যেতে হবে।

এছাড়াও দেশের ন্যাশ্নালিশট সুশীল প্রতিনিধিরাও পুরোদস্তুর রাজনীতিতে এলে বিএনপি লাভবান হবে বলে মনে করি। তবে সব কিছুই হতে হবে গণতান্ত্রিক উপায়ে। কাজেই কেও বিভ্রান্ত হবেন না। তাড়াহুড়া করে কাউন্সিল ডেকে দলীয় বিপ্লবকে বাঁধাগ্রস্ত করা যাবে না। আমরা এমন দৃষ্টান্ত চাই যে- নেতৃত্ব গুনে থানা বিএনপির কোনো নেতাও আমাদের দলের মহাসচিব হতে পারেন! অর্থাৎ ৭১’র চেতনায় থেকে জাতীয়িতাবাদ ধারণ করে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশ সেবায় গেলে ৭ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের দেশ করাই বিএনপির আপাত লক্ষ্য।

 

111111111111111111111

 ♣আসল বিএনপির নাসিমের গোপন কাহিনী! যেনে নিন

»মানসিকভাবে প্রস্তুত তারেক রহমান তবে . . .

»ছেলের কবরের পাশে কাঁদলেন খালেদা জিয়া

» প্রধান বিচারপতির বক্তব্য নিয়ে যা লিখলেন সাঈদীপুত্র

» টক সােতে ‘খালেদা জিয়াকে নিয়ে একি বললেন’ কামরুল হাসান নাসিম (ভিডিও)

»ছাত্রলীগ নেতা ও নেত্রী আপত্তিকর অবস্থায় আটক

»বিএনপির কার্যালয় দখল করতে যাওয়া, কে এই কামরুল হাসান নাসিম?

»‘আসল বিএনপি’র গাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দিল ছাত্রদল(দেখুন ছবিতে..)

»আজও নয়াপল্টন কার্যালয়ে যেতে পারল না ‘আসল বিএনপি’! (ভিডিও)

»বিএনপির নয়া পরিকল্পনা

»বিএনপিতে ভাঙ্গন ধরা এত সহজ নয়!

⇑…………………………………………………………………………………………………….⇑