মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯

মেয়েদের যে স্বভাব গুলাে পুরুষদের খুবই পছন্দ!

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৬

সব মানুষই যে অদ্ভূত রকমের হয় তা কিন্তু নয়। তবে কিছু কিছু মানুষ সত্যিই অদ্ভুত। নিজেরাও হয়তো নিজেদের মধ্যে সেই অদ্ভূত বিষয়গুলো ঠিক খুঁজে পান না।

কিন্তু ভালোবাসার মনুষটির কাছে কিছুতেই সেগুলো লুকানো থাকে না। তাকে কাছে পেলেই বেরিয়ে পড়ে সেই অদ্ভূত ইচ্ছেগুলো। কারণ এগুলোই তাকে আরো কাছে আনে, মিস করতে দেয় না।

jolpori-01830065921-9-1024x768মেয়েদের এমনই ৬টি অদ্ভত জিনিস আছে, যা তার পছন্দের মানুষের কাছে খুব পছন্দের। কি সব বিষয়, জানতে চাইলে পড়তে হবে।

১। বুকে মাথা রেখে শোয়া: সারাদিনের খাটুনির পর একটু বিশ্রাম অথবা শোফায় বসে টিভি দেখা, এরকম সময় সব মেয়েরাই ভালোবাসার মানুষটির বুকে মাথা রেখে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে শুতে পছন্দ করেন। কাছের মানুষটির হাতের আড়ালে নিজেকে সবথেকে বেশি সুরক্ষিত মনে করেন।

২। ঘুমোনোর পদ্ধতি : সব পুরুষই তার ভালোবাসার মানুষকে ঘুমন্ত দেখতে পছন্দ করেন। প্রেমিকা বা স্ত্রীর ঘুমের পদ্ধতি যেমনই হোক না কেন, সে বিকট শব্দে নাক ডাকুক বা হাঁ করে ঘুমোক, ঘুম ভেঙে পাশে তাকে নিশ্চিন্তের ঘুম ঘুমোতে দেখলে ঠোঁটের একটা হাসি ফুটে উঠবেই।

৩। ভয় পাওয়া : আরশোলা দেখে ভয় কিংবা মাকড়সা দেখে চিৎকার। অনেক শক্ত মনের মানুষও বড় অদ্ভূত অদ্ভূত জিনিসে ভয় পান। তবে এতে বিরক্ত না হয়ে বরং খুশিই হন তার পুরুষ সঙ্গীটি। আরশোলা মেরে প্রেমিকাকে ভয়মুক্ত করে বীরপুরুষ হতে তার ভালোই লাগে।

৪। ভেবেচিন্তে না করে ফেলা কিছু কাজ : হঠাৎ ইচ্ছে হলো প্রেমিক বা স্বামীকে রান্না করে খাওয়াতে হবে। সেই ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে রান্নাঘরের দফারফা শেষ। এমন কাণ্ড দেখে কার না মাথা গরম হয়। কিন্তু যার জন্য এত কাণ্ড তিনি খুশিই হন। কারণ তাকে ভালোবাসেন বলেই প্রেমিকা বা স্ত্রীর এমন পাগলামি।

৫। বন্ধুদের সঙ্গে থেকে মেসেজ করা : অনেক পুরুষই পছন্দ করেন না তার স্ত্রী বা প্রেমিকার অন্য বন্ধুদের সঙ্গে আউটিং। তবে একটু যারা পাকা মাথার মানুষ তারা কখনই এমন কাজ করবেন না। বন্ধুদের সঙ্গে সারাদিনের হুল্লোড়ের পর রাতে ভালোবাসার মানুষটির একটা ফোনই তার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জথেষ্ট।

৬। তৈরি হতে প্রচুর সময় নেয়া : মেয়ে মানেই সাজগোজ পারদর্শী। এতে দেরি হওয়া স্বাভাবিক। দেরিটা যখন লিমিট ছাড়া হয় তখন রাগে মাথা গরম হয়ে যায়। কিন্ত এত অপেক্ষার পর সুন্দরীকে দেখে নিমেষে উধাও হয়ে যায় সব রাগ। হালকা হাতটা ধরা বা এক টুকরো চকলেট ভেঙে খাইয়ে দেয়া- এতে কি আর রাগ থাকে?