বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

সুন্দরবনের ‘ঝুঁকি’ দেখতে আসছে ইউনেস্কো দল

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:  তেল ও কয়লাবাহী জাহাজডুবির পাশাপাশি রামপাল প্রকল্পের কারণে সুন্দরবনের পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপ জানতে ইউনেস্কোর একটি প্রতিনিধি দল আগামী মাসে বাংলাদেশে আসছে। প্রতিনিধি দলটি তিন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাবাসী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. ইউনুছ আলী।

2

“সুন্দরবনের আউটস্ট্যান্ডিং ইউনিভার্সেল ভ্যালুস-রক্ষায় আমাদের ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনা কী, তেল ও কয়লা জাহাজডুবির ঘটনায় কোনো ক্ষতি হচ্ছে কি না এবং রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি দেখতে তারা আসবে।” মার্চে সুবিধাজনক সময়ে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য বিশেষজ্ঞ দলটি আসবে বলে ইউনুছ জানান।

দলে সিঙ্গাপুর, কানাডা ও জেনেভার বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। আইইউসিএন-এর একটি প্রতিনিধি দলও তাদের সঙ্গে থাকবে। সবার সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ইউনেস্কোর সদরদপ্তরে পাঠাবেন বলে জানান সরকারি এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “এটা একটা ইতিবাচক দিক। আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে ইউনেস্কোর এ ধরনের উদ্যোগ ভালো।” তিন সদস্যের এ দল নৌ, জ্বালানি ও খনিজ এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানান ইউনুছ আলী।

“সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌ চলাচল দেখভাল করে নৌ মন্ত্রণালয়। জাহাজডুবির পর সুন্দরবন সংলগ্ন প্রতিবেশ, পানি-মাটি ও মাছের কী ক্ষতি হয়েছে, কী কী আরও হতে পারে, তা নিরূপণে আলোচনা হবে।” “বিদ্যমান পরিবেশে সম্পদ আহরণ-ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কী কী উদ্যোগ নিয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হবে; আর জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কাছে রামপাল নিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো চিহ্নিত করা এবং তা মিটিগেশনের কী উপায়, পদক্ষেপ কী নেওয়া হচ্ছে, তা জানতে চাইবে তারা।” জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে বিশ্বের বর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’র তালিকাভুক্ত করে।