শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আবারো হার মুশফিক-সাকিবের দল

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৬

sakib -mosস্পোর্টস ডেস্ক: মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে রান। সাকিব আল হাসানের অপরাজিত থাকা ইনিংস। তার পরেও ভাগ্য বদলায়নি করাচি কিংসের। কী যে হলো তাদের? পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) হেরেই চলেছে মুশফিক-সাকিবের দল। রোববার শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে করাচি কিংসের বিপক্ষে ৫ উইকেটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান করে করাচি। জয়ের জন্য ইসলামাবাদের সামনে ১২৯ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয় সাকিব-তামিমের দল। জবাবে ৫ উইকেট খুইয়ে ৭ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন ইসলামাবাদ।

লক্ষ্য তাড়া করতে নামা ইসলামাবাদকে সামনে নেতৃত্ব দেন মিসবাহ। তিনি খেলেছেন যোগ্য দলনেতার মতোই। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের ইনিংসটি আসে পাকিস্তানের এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের ব্যাট থেকে। ওসামা মিরের বলে মুশফিকুর রহিমের কাছে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি। বিদায়ের আগে ৩৮ বলের ইনিংসটি মিসবাহ সাজান পাঁচটি চারের মারে।

এদিকে মিসবাহকে যোগ্য সঙ্গ দেন খালিদ লতিফ (৩৩)। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা দলের স্কোরশিটে যোগ করেন ৬৩ রান। এই জুটিই অবশ্য ইসলামাবাদকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭ বলে অপরাজিত ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন আসিফ আলী।

করাচির হয়ে ২ ওভারে ১৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন সাকিব। দুটি উইকেট পকেটে পুরেছেন সোহেল খান। একটি করে উইকেট লাভ করেন রবি বোপারা, ওসামা মির ও মোহাম্মদ আমির।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি করাচির। দলের স্কোরশিটে ৩ রান যোগ হতেই নেই দুই উইকেট। একে একে বিদায় নেন জেমস ভিন্স (২) ও ইমাদ ওয়াসিম (০)। বলতে বলে বিদায় নেন শাহজাইব হাসানও। এরপর চার নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নামেন মুশফিক। আন্দ্রে রাসেলের বলে সরাসরি বোল্ড হওয়ার আগে ৩৩ রান করেন বাংলাদেশি এই উইকেটরক্ষক। তার ২৭ বলের ইনিংসটি ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কায় সমৃদ্ধ।

এদিন সাকিবও খেলতে পারেননি ঝড়ো ইনিংস। শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ বলে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। করাচির পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন রবি বোপারা। ৫০ বলে চারটি চারের সাহায্যে ইনিংসটি সাজান ইংল্যান্ডের এই তারকা ক্রিকেটার।

ইসলামাবাদের পক্ষে দুটি উইকেট নেন ইমরান খালিদ। একটি করে উইকেট ঝুড়িতে জমা করেন আজহার মাহমুদ, আন্দ্রে রাসেল ও মোহাম্মদ সামি।