রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

দশ ট্রাক অস্ত্র আনার জন্য দুঃখতি, তবে…….

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৬

নিউজ ডেস্ক: ২০০৪ সালে চট্টগ্রামে যে দশ ট্রাক অস্ত্ররে চালান ধরা পড়ছেলি সে অস্ত্র তাদরেই ছলি বলে স্বীকার করে আসামরে ‘বচ্ছিন্নিতাবাদী’ সংগঠন ইউনাইটডে লবিারশেন ফ্রন্ট অব আসামরে (উলফা-আই) কমান্ডার ইন চফি পরশে আসাম ওরফে পরশে বড়ুয়া বলছেনে, ‘আমাদরে অস্ত্র আনতে বাংলাদশেরে ভূমি ব্যবহার করার জন্য আমরা দুঃখতি। তবে এ কাজ করে আমরা অপরাধ করনি। একজন স্বাধীনতাকামীর চোখে এটা অপরাধ নয়।’

190884_1 (1)
টলেফিোনে এক সাক্ষাতকারে দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলার ফাঁসরি দন্ডপ্রাপ্ত আসামি পরশে বড়ুয়া বলনে, ‘দশ ট্রাক অস্ত্ররে ব্যাপার আমরা অস্বীকার করতে পারি না। আমাদরে বলতইে হবে যহেতেু আমাদরে সশস্ত্র স্বাধীনতার সংগ্রাম, তাই আমাদরে অস্ত্ররে দরকার। সে জন্য বাংলাদশেরে বভিন্নি রুটে অস্ত্র আনার জন্য একটা প্রয়াস করছেলিাম। যহেতেু আমরা মুক্তি সংগ্রামরে জন্য নবিদেতি হয়ছেি সজেন্য অস্ত্র আনতে গয়িে কোনো দশেরে নয়িম-কানুন ভঙ্গ হতে পারে সটো আমাদরে মাথায় ছলি না।’
বাংলাদশেরে আইনকে শ্রদ্ধা করনে দাবি করে বলনে, স্বাধীনতাকামী সংগঠন হসিবেে আমরা কোনো দশেরে আইনকে অসম্মান করি না। আমরা বাংলাদশেরে মাটি ব্যবহার করে তাদরে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করছে। আমি বাংলাদশের মানুষকে জানাতে চাই একটা অনাকাক্সক্ষিত ঘটনা হয়ে গছে। এর জন্য আমি দু:খ প্রকাশ করছ। এ জন্য আমাকে যে শাস্তি দওেয়া হয়ছেে তা মনেে নয়িছে। এ জন্য এ রায়রে বরিুদ্ধে আমি কোনো আপলি করব না এবং আপলি করার কোনো প্রশ্নই আসে না।’

তনিি বলনে, ‘যহেতেু আমরা সশস্ত্র সংগ্রামে সহেতেু আমাদরে অস্ত্র দরকার ছলি। আমরা অস্ত্ররে জন্য ক্ষুর্ধাত ছলিাম। এ কারণে বাংলাদশেরে আইনভঙ্গ করছে। কী কারণে করছেি সটো সবচয়েে ভালো বুঝবনে বাংলাদশেরে মুক্তযিোদ্ধারা।
যারা যুদ্ধরে সময় বনিা পাসর্পোটে আসাম, মঘোলয়, ত্রপিুরা ও পশ্চমিবঙ্গে আশ্রয় নয়িছেলিনে। যুদ্ধরে সময় এগুলো হয়। পৃথবিীর বভিন্নি দশেে সশস্ত্র সংগ্রামরে সময় এটা হয়ছে। কারণ দশে স্বাধীন করাই যোদ্ধাদরে কাছে প্রধান র্কতব্য হয়ে দাঁড়ায়। সজেন্য এই জনিসিগুলো হয়ছে। বাংলাদশেরে মানুষকে আমরা সবসময় শ্রদ্ধা কর, ভবষ্যিতওে করব। তখনকার পরস্থিতিি যদি আমরা ববিচেনা করি সটো আমাদরে অনুকূলে ছলি না।’

আমাদরে সময় ডটকমকে তনিি বলনে, আমি অবশ্যই এই ঘটনার সাথে জড়তি ছলিাম। কারণ আমরা সশস্ত্র সংগ্রামকে এগয়িে নয়িে যতেে চাই। আমাদরে সংগ্রামরে প্রত, মাটরি প্রতি শ্রদ্ধা আছ, সে জন্য আমাকে এ ধরনরে কাজ করার জন্য বাংলাদশেরে আইন ভঙ্গ করতে হয়ছে।ে আমি এই ঘটনার সাথে সরাসরি জড়তি না থাকলওে পরোক্ষভাবে এর সাথে সম্পৃক্ত ছলিাম।’
পরশে বড়–য়া বলনে, ‘বাংলাদশেরে জনগণ আমাদরে মূল্যায়ন করবে এবং সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হসিাবে না দখেে স্বাধীনতা সংগ্রামী হসিাবে দখেব। সটোই আমি কামনা কর। আমি বলতে চাই আমরা কোনো অপরাধী না, আমরা মুক্তযিোদ্ধা। আমাদরে যনে বাংলাদশেরে মানুষ সভোবইে দখে।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালরে ১ এপ্রলি চট্টগ্রাম নগররে সইিউএফএল জটেঘিাটে দশ ট্রাক অস্ত্ররে চালান ধরা পড়। গোপন সংবাদরে ভত্তিতিে এমভি শাহ আলম ও এমভি খাজার দান নামে দুটি ফশিং ট্রলার থকেে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে পুলশি। ২০০৪ সালরে ৩ এপ্রলি র্কণফুলী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা আহাদুর রহমান বাদী হয়ে অস্ত্র আটক ও চোরাচালান আইনে দুটি মামলা দায়রে করনে।
১৯৭৪ সালরে বশিষে ক্ষমতা আইনরে ২৫ব(১)(ব) ধারায় চোরাচালান এবং ১৮৭৮ সালরে অস্ত্র আইনে এসব মামলা করা হয়। এরপর ২০১৪ সালরে ৩০ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর আমরি মতউির রহমান নজিামী, সাবকে স্বরাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও উলফার নতো পরশে বড়ুয়াসহ ১৪ জনরে বরিুদ্ধে মৃত্যুদ-রে রায় দয়ে আদালত। এ ছাড়া, অস্ত্র আটকরে অন্য একটি মামলায় ওই ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদ-রে আদশে দওেয়া হয়ছে।
অামাদের সময় ডট কম