রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সাবধান!! আবাসিক হোটেল এ থাকতে গিয়ে আপনিও পড়তে পারেন এমন ফাঁদে (দেখুন ভিডিওতে)

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬

বর্তমানে ঢাকার একটি কমন দৃশ্য, আপনি যদি কোন আবাসিক হোটেলের সামনে দাড়িয়ে থাকেন দেখবেন কিছু লোক এসে আপনাকে বলবে, মামা কিছু লাগবে? স্কুলের না কলেজের? ভেতরে আসেন। অনেকে আপনাকে বলতে পারে কচি মাল আছে, দরকার পড়লে বাসায় পাঠিয়ে দেয়ার ব্যাবস্থাও আছে। অনেকের আবার ভিজিটিং কার্ডও আছে। এরা মূলত যেসব হোটেলে অসামাজিক কাজ চলে সেগুলোর দালাল। কথায় আছে, মদ নারী তাস এই তিনে সর্বনাশ। আর এই সর্বনাশা খেলার অভয়ারন্য হল ঢাকার এসব আবাসিক হোটেলগুলো।

এসব আবাসিক হোটেলে সাজানো হচ্ছে নারী দেহের পসরা। প্রশাসন এর নাকের ডগায় চলছে এমন রমরমা ব্যাবসা। রাজধানী ঢাকার কাওরানবাজার, বনানী, ফকিরাপুল, মগবাজার, গুhotelলশান, পুরান ঢাকার অনেক আবাসিক হোটেলে চলছে এসব রমরমা ব্যবসা। ঢাকার শীর্ষসন্ত্রাসীদের চাদাবাজি, মাদক ব্যাবসা, নারী ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করা হয় এসব হোটেল থেকে। গ্রাম বা মফস্বল থেকে আসা সহজ সরল অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের এসব কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ আছে। সাংবাদিক কিংবা টিভি ক্যামেরার সামনে এসব হোটেলের মালিকরা মুখ খুলতে চাননা।

এই চক্রের স্বীকার হয়ে দেহ ব্যাবসায় আসা নারীরা জানালেন তাদের করুন কাহিনী। বেশিরভাগ নারীর এ পেশায় আসার কারন হল ক্ষুধার জ্বালা। অনেকে নিজের অজান্তেই জড়িয়ে পড়ছে এসব অসামাজিক কাজে। নানান ভয় দেখিয়ে এসব হোটেল মালিকরা তাদেরকে ব্লাকমেইল করে যার কারনে তারা চাইলেও এই পেশা ছাড়তে পারছেন না। ঢাকাতে প্রায় প্রতিটি থানায় ২৫-৩০ টি আবাসিক হোটেল আছে যার বেশিরভাগেই চলছে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড। এসব হোটেল থেকে প্রতিমাসে থানা পুলিশ পাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। শুধু তাই নয় স্থানীয় ক্ষমতাসীন ব্যাক্তিরাও এসব হোটেলের অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত।

শুধু দেহ ব্যাবসা নয় এসব আবাসিক হোটেলে সাধারন বোর্ডারদের বিভিন্ন ফাদে ফেলে তাদের টাকা পয়সা সব হাতিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ আছে। তাইতো একা কোন ব্যাক্তি এসব আবাসিক হোটেলে ওঠা ঝুকিপূর্ন হয়ে পড়েছে। আপনি হয়ত একা হোটেলে উঠেছেন, কিন্তু আপনার রুমে কোন মেয়ে মানুষ পাঠিয়ে দিতে আপনাকে ফাসিয়ে দিতে পারে। আর মান সম্মানের ভয় দেখিয়ে কেড়ে নিতে পারে আপনার সর্বস্ব।

আবাসিক হোটেলে চলা অনৈতিক কাজের ভিডিও দেখুনঃ