বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস আজ

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ৩, ২০১৬
news-image

২৫তম আন্তর্জাতিক এবং ১৮তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস আজ। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের (প্রতিবন্ধী) মর্যাদা সমুন্নতকরণ, অধিকার সুরক্ষা এবং উন্নতি সাধন নিশ্চিত করতে দিবসটি পালনে বিশ্ববাসীকে আহ্বান জানান জাতিসংঘ। প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সচেতনতার প্রসার, তাদের প্রতি সহমর্মিতা-সহযোগীতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে ১৯৯২ সাল থেকে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পালিত হয়ে আসছে দিবসটি।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ি, ১৭ লক্ষ্য অর্জন করি’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া রাজধানীর পল্লবীতে সাত দিনব্যাপী প্রতিবন্ধী উন্নয়ন মেলা, আলোচনা, সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদপ্তর, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এদিকে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর সম্প্রতি সারাদেশে জরিপ চালিয়ে ১৫ লাখ ১০ হাজার প্রতিবন্ধী শনাক্ত করেছে। বর্তমানে তাদের তথ্যাবলী নিয়ে একটি শক্তিশালী ডাটাবেজ তৈরি করছে অধিদপ্তর। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই তাদের স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং সমাজের বিত্তবান ও স্বচ্ছল ব্যক্তিবর্গ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে সস্পৃক্ত হলে তাদের কল্যাণ ত্বরান্বিত হবে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করি, এবারের প্রতিবন্ধী দিবসের এটাই হোক অঙ্গীকার।’

বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে দেশের সম্পদে পরিণত করতে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ইত্যাদি উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের অধিকার সুরক্ষায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান, সামাজিক সেবাসমূহ এবং অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একদিকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পূরণ যেমন সম্ভব তেমনি বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা আরও গতিময় হবে’।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পেছনে ফেলে নয়, তাদের সাথে নিয়েই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে সমাজের সচেতন মানুষ, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।