রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯

বরিশাল-কুমিল্লার বিদায় নিশ্চিত করে দিল রংপুর

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ৩, ২০১৬
news-image

সুক্ষ হিসেবের সুতোয় ঝুলছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর বরিশাল বুলসের ভাগ্য। হিসেবটা ছিল, শেষ ম্যাচগুলোতে যদি রংপুর আর রাজশাহী আর না জেতে এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর বরিশাল বুলস যদি বড় ব্যবধানে জিততে থাকে, তাহলে হয়তো শেষ চারের সম্ভাবনা থাকলেও থাকতে পারে।

সে সম্ভাবনাটা বরিশাল আর কুমিল্লার টানা জয়ে যেন উঁকি দিতে শুরু করেছিল; কিন্তু নিজেদের শেষ ম্যাচে এসে বরিশাল বুলস হেরেই গেলো রংপুর রাইডার্সের কাছে। টানা পরাজয়ের পর অবশেষে মুশফিকুর রহীমের দলকে ২৯ রানে হারিয়ে শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা ধরে রাখলো রংপুর রাইডার্স। একই সঙ্গে বরিশাল বুলস আর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিদায় পুরোপুরি নিশ্চিত করে দিল তারা।

চট্টগ্রাম পর্বে শীর্ষে ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু ঢাকায় তৃতীয় পর্ব খেলতে এসে একের পর এক পরাজয়ে খেই হারিয়ে ফেলে দলটি। এরই মধ্যে এই দলের ক্রিকেটার জুপিটার ঘোষ এবং ম্যানেজার সানোয়ার হোসেনের বিপক্ষে উঠেছে ফিক্সিংয়ের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। আফ্রিদি ছিলেন না এক ম্যাচে। তিনি ফিরে আসার পরও জয়ে ফিরতে পারলো না রংপুর।

ঢাকায় তৃতীয় পর্বে টানা তিন ম্যাচ হারের পর অবশেষে জয়ের দেখা পেলো সৌম্য সরকার আর নাঈম ইসলামের দলটি। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বরিশালের সামনে ১৫৫ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় রংপুর। জবাব দিতে নেমে রায়াদ এমরিতের উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় বরিশাল। ১৬ রানের মাথায় তারা হারিয়ে বসে মুশফিকুর রহীমের উইকেটও। ২৯ রানের মাথায় আউট হন জীবন মেন্ডিস।

ডেভিড মালান আর ফজলে মাহমুদ ৩৯ রানের জুটি গড়ে বরিশালকে খেলায় ফেরান। এ সময় পর পর দুই উইকেট হারায় বরিশাল। ২৩ বলে ৩০ রান করা ডেভিড মালান এবং ১৬ বলে ২১ রান করা ফজলে মাহমুদ আউট হয়ে যান।

দ্রুত দুই উইকেট হারালেও শাহরিয়ার নাফীস এবং থিসারা পেরেরা মিলে স্বপ্ন দেখান বরিশালকে। কিন্তু ২৪ বল খেলে শাহরিয়ার নাফীসের ১৪ রানের মন্থর ইনিংসই বরিশালের পরাজয় যেন নিশ্চিত করে দেয়। থিসারা পেরেরা ১৭ বলে করেন ২৪ রান। এরপর আফ্রিদি, ডসন আর রুবেল হোসেনদের বোলিং তোপের মুখে ১৮.২ ওভারে ১২৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় বরিশাল বুলস।

রংপুরের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন সোহাগ গাজী, রুবেল হোসেন, শহিদ আফ্রিদি এবং লিয়াম ডসন। ১টি করে উইকেট নেন আনোয়ার আলি এবং নাঈম ইসলাম। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ শাহজাদের ৪৮ এবং মোহাম্মদ মিথুনের ৩৮ রানের ওপর ভর করে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিল রংপুর রাইডার্স।

একই সঙ্গে বিপিএলের চতুর্থ আসরে বরিশাল বুলসের অভিযাত্রাও শেষ হয়ে গেলো। পুরো বিপিএলে মাত্র চারটি ম্যাচে জয় পেয়েছে বরিশাল। ৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার আগে, পয়েন্ট টেবিলে সবার শেষে থেকে বিপিএল শেষ করলো মুশফিকুর রহীমের দল।