মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিজয় দিবসের আগেই আলোকিত হবে ডিএসসিসির ৯০ ভাগ এলাকা

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ৫, ২০১৬
news-image

আসন্ন বিজয় দিবসের আগেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি)  সীমানার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ভাগ এলাকায় (লাইট ইমিটিং ডায়ট) এলইডি বাতি লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। একইসঙ্গে ডিএসসিসির দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় বছর পূর্তি হওয়ার আগেই পুরো ঢাকায় আলোকিত হবে বলে জানান তিনি।

রোববার দুপুরে ডিএসসিসির ৩৬ এবং ৩৭নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজার মোড়ে ‘জনতার মুখোমুখি জনপ্রতিনিধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর রঞ্জন বিশ্বাস, মো. আ. রহমান মিয়াজীসহ সিটি কর্পোরেশনের, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, ‘আমরা ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে অবিরাম কাজ করছি। এরই অংশ হিসেবে ‘জল-সবুজে ঢাকা’ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা শহরের ৩১টি পার্ক ও খেলার মাঠ নতুনরূপে সাজাবো। আগামী ২০১৭ সালের মধ্যে ঢাকা শহরের পরিত্যক্ত খেলার মাঠ ও পার্কগুলোকে জলে-সবুজে ঢেকে নবরূপে সাজানো হবে। ইতোমধ্যে ৩১টি খেলার মাঠ ও পার্ক চিহ্নিত করা হয়েছে। নগরবাসীর জন্য সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য ‘জল-সবুজে ঢাকা’ নামে একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। ৭০ জন স্থপতি এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।’

মেয়র বলেন, ‘নির্বাচিত হওয়ার পর আমি যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করি তখন এ সিটিতে হাজারও সমস্যা ছিল। এখন ঢাকা শহর বদলে যাচ্ছে। এ শহর এক সময় সুন্দর শহর ছিল- তখন এতো মানুষের বসবাস ছিল না। এখন লক্ষ-কোটি মানুষ বাস করে। ফলে এক সময় এ শহর বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এখন আবার বসবাসযোগ্য করার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে ৩০০ রাস্তা-ঘাটের কাজ ধরেছি। বর্ষা মৌসুমের আগেই নগরের অলিগলি মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেয়া হবে। এছাড়া ঢাকা শহরকে আলোকিত করার জন্য অলিতে-গলিতে মোট ৩৭ হাজার এলইডি লাইট লাগানো হবে। এজন্য সিটি কর্পোরেশন ও সরকারের অর্থায়নে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।’

সাঈদ খোকন বলেন, দায়িত্বভার গ্রহণের পর বিশ্বের বসবাসের অনুপযোগী শহরের মধ্যে ঢাকা ছিল ১৩৯ নম্বরে। তা কমে এখন ১৩৪ নম্বরে এসেছে। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সবার সহযোগিতায় ঢাকা শহরকে বদলেই ছাড়বো।’

ঢাকাকে পরিষ্কার রাখতে নগরবাসীর সহায়তা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ময়লা-আবর্জনা নিয়ে সমস্যায় আছি। রাতদিন কর্মীরা নগরকে পরিষ্কার রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। শীতকাল হওয়ায় ধুলাবালি বেশি হয়েছে। প্রতিদিন সিটি কর্পোরেশন থেকে ভোর ৬টায় পানি ছিটিয়ে দেয়া হবে। নগরকে সুন্দর করতে পরিষ্কার রাখতে তিনি নগরবাসীর বিশেষ সহযোগিতা চান। এ সময় তিনি ৩৬ ও ৩৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পানি, গ্যাস, ময়লা, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সামাধানের উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দেন।