শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৯

জেলা পরিষদ নির্বাচন
আ.লীগ ২৫টিতে, বিদ্রোহী ১৩টিতে জয়ী

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ২৮, ২০১৬
news-image

ডেস্ক প্রতিবেদক: বিএনপি-জাতীয় পার্টিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের বর্জনের মধ্যেই দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল নয়টায় শুরু হয়ে বেলা দুইটা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়। বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ৪৬ জন জয়ী হয়েছেন। অবশ্য তাঁদের ২১ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই নির্বাচিত হন। আর ১৩ জেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া ৬১টি জেলায় সকাল নয়টা থেকে শুরু হয়ে বেলা দুইটা পর্যন্ত এ ভোটে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ভোট দেন। নির্বাচন কমিশন আজ বগুড়ায় চেয়ারম্যান পদে ও তিনটি ওয়ার্ডে সদস্য পদে ভোট গ্রহণ স্থগিত করে। কয়েক দিন আগে কুষ্টিয়ায় চেয়ারম্যান পদে ভোট স্থগিত করা হয়।

আওয়ামী লীগের নির্বাচিত যাঁরা: বরিশালে মো. মইদুল ইসলাম, বরগুনায় মো. দেলোয়ার হোসেন, লালমনিরহাটে মো. মতিয়ার রহমান, রাজবাড়ীতে ফকীর আবদুল জব্বার, চাঁদপুরে ওচমান গনি পাটোয়ারী, ঝিনাইদহে কনক কান্তি দাস, ময়মনসিংহে ইউসুফ খান পাঠান, কক্সবাজারে মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, পাবনায় রেজাউল রহিম, গোপালগঞ্জে চৌধুরী ইমদাদুল হক, মাদারীপুরে মিয়াজ উদ্দীন, শরীয়তপুরে ছাবেদুর রহমান, মাগুরায় পঙ্কজ কুন্ডু, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মঈনুদ্দীন মণ্ডল, মৌলভীবাজারে আজিজুর রহমান, খুলনায় শেখ হারুনুর রশীদ, রংপুরে ছাফিয়া খানম, পটুয়াখালীতে খান মোশাররফ হোসেন, নরসিংদীতে আসাদুজ্জামান, নোয়াখালীতে এ বি এম জাফর উল্যাহ্, মানিকগঞ্জে গোলাম মহীউদ্দিন, সিলেটে লুৎফুর রহমান, কুড়িগ্রামে মো. জাফর আলী, কুমিল্লায় আবু তাহের ও লক্ষ্মীপুরে মো. শামছুল ইসলাম।

বিজয়ী বিদ্রোহীরা: মেহেরপুরে গোলাম রসুল, নড়াইলে মো. সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পিরোজপুরে মহিউদ্দিন মহারাজ, চুয়াডাঙ্গায় শেখ শামসুল আবেদীন খোকন, সুনামগঞ্জে নুরুল হুদা মুকুট, নীলফামারীতে জয়নাল আবেদীন, গাইবান্ধায় আতাউর রহমান সরকার, পঞ্চগড়ে মো. আমানুল্লাহ বাচ্চু, সাতক্ষীরায় নজরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শফিকুল আলম, জামালপুরে ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী, শেরপুরে হুমায়ুন কবীর রোমান ও রাজশাহীতে মোহাম্মদ আলী সরকার।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত যাঁরা: ঢাকায় মাহবুবুর রহমান, জয়পুরহাটে আরিফুর রহমান, নাটোরে সাজেদুর রহমান খান, সিরাজগঞ্জে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, টাঙ্গাইলে ফজলুর রহমান খান, যশোরে শাহ হাদিউজ্জামান, হবিগঞ্জে মুশফিক হোসেন চৌধুরী, ফরিদপুরে লোকমান হোসেন মৃধা, বাগেরহাটে শেখ কামরুজ্জামান টুকু, গাজীপুরে আখতারুজ্জামান, ফেনীতে আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, দিনাজপুরে আজিজুল ইমাম চৌধুরী, চট্টগ্রামে এম এ সালাম, নেত্রকোনায় প্রশান্ত কুমার রায়, নারায়ণগঞ্জে আনোয়ার হোসেন, মুন্সিগঞ্জে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নওগাঁয় ফজলে রাব্বী, ঠাকুরগাঁওয়ে মু. সাদেক কুরাইশী, কিশোরগঞ্জে মো. জিল্লুর রহমান, ঝালকাঠিতে সরদার মো. শাহ আলম ও ভোলায় আবদুল মোমিন টুলু।