মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি: ৭ জন আবার রিমান্ডে

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬
news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির মামলায় গ্রেপ্তার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাত কর্মকর্তার আবার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকার মহানগর হাকিম ওয়ায়েজ কুরুনি খান চৌধুরী এ আদেশ দেন।

আদালত পুলিশের উপপরিদর্শক লিয়াকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, সাত দিনের প্রথম দফার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুনরায় আজ এ মামলায় সাত আসামিকে আদালতে হাজির করেন মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুনরায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিদের পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হলে আদালত শুনানি শেষে তা নাকচ করে দেন।

এর আগে ২২ ডিসেম্বর এ মামলার অপর সাত আসামি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাত কর্মকর্তার সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। রিমান্ডে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ আবার রিমান্ডে নেওয়া হলো। এ মামলার নয়জন আসামিকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (প্রোডাকশন) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) এস এ সিদ্দিক, প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড সিস্টেম কন্ট্রোল) বিল্লাল হোসেন, প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান, সামিউল হক, লুৎফুর রহমান, মিলন চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসাইন ও টেকনিশিয়ান সিদ্দিকুর রহমান।

আদালত সূত্র বলেছে, গত ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। এ কারণে বিমানটি তুর্কমেনিস্তানে জরুরি অবতরণ করে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এটা ‘মানবসৃষ্ট’। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুই দফায় বিমানের প্রকৌশল বিভাগের নয়জনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এ ঘটনায় ফৌজদারি মামলা করার ব্যাপারে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ঢাকা বিমানবন্দর থানায় বাংলাদেশ বিমানের প্রকৌশল বিভাগের নয়জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অবহেলা ও ‘অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।