শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বাগমারা তাহেরপুর পৌরসভায় জবর দখল করে পুকুর খনণের অভিযোগ

SONALISOMOY.COM
জানুয়ারি ২০, ২০১৭
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি:
সরকারের নির্দেশীত ভুমি ব্যবস্থাপনার নীতিমালা লংঘন করে উপজেলা প্রশাসনকে মেনেজ করে বাগমারায় চলছে পুরাদমে আবাদী জমিতে পুকুর খননের কাজ। কোন কিছু করেই পুকুর খনন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। পুকুর খনন বন্ধ না হওয়ায় এলাকার জমির মালিকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

এলাকার লোকজন বাদী হয়ে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন ফল পাচ্ছে না। যার কারনেই জমির মালিকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার এক প্রভাবশালী পৌর কাউন্সিলর নুরপুর এলাকায় আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতীর বাগানের গাছ কেটে জবরদখল করে পুকুর খণন শুরু করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । এলাকার লোকজন অবিলম্বে ওই সকল পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

এলাকার লোকজনের অভিযোগ শ্রীপুর ইউনিযন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম তাহেরপুর এলাকার প্রভাবশালী এক কাউন্সিলরের সাথে যোগাযোগ করে পৌরসভার নুরপুর এলাকায় বিভিন্ন গাছের বাগান কেটে সেখানে জোর পূর্বক পুকুর খনন শুরু করেছেন। এলাকার লোকজন বাঁধা সৃষ্টি করলে প্রভাবশালীরা একত্রি হয়ে এলাকার লোকজনকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দি্েচ্ছ বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেছেন। বাগমারায় অতিরিক্ত পুকুর খননের কারনে আবাদী জমির পরিমান কমে যাচ্ছে। যার কারনে এলাকায় ফসলের উৎপাদন অনেকটাই কমে গেছে বলে জানা গেছে।
নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক পুকুর খননকারী জানান, পুকুর খননের জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন দপ্তরে অর্থ দিতে হয়। টাকার দেয়ার কারনেই তাদের পুকুর খনন বন্ধ করতে পারবেনা বলে তিনি জানান।
উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিবুর রহমান জানান, ফসল উৎপাদনে রাজশাহী জেলার প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন, বাগমারা উপজেলা। অতিরিক্ত পুকুর খননের কারনে আবাদী জমি পরিমান অনেকটাই কমে গেছে। যার কারনে এ এলাকায় ফসল উৎপাদনের পরিমান অনেকটাই কম। আবাদী জমি গুলো নষ্ট করে পুকুর খননের কারনেই ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তিনিও মনে করেন, এলাকার পুকুর খননকারীরা প্রভাবশাঅলী হওয়ায় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারছে না। অবিলম্বে তিনিও পুকুর খনন বন্ধের জন্য প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাছরিন আক্তার বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। আবাদী জমিতে পুকুর খনন করে যারা জমি নষ্ট করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।