মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯

বাগমারার সমিতি ছিনতাইয়ের অভিযোগের তদন্ত শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার

SONALISOMOY.COM
জানুয়ারি ২৯, ২০১৭
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি:
বাগমারার মাড়িয়া ইউনিয়নের কিসমত বিহানালী মহিলা সমাজ কল্যাণ সমিতি ছিনতাইয়ের অভিযোগের তদন্ত শুরু হচ্ছে। মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এই অভিযোগের তদন্ত করবেন। আগামী মঙ্গলবার তদন্ত শুরু করা হবে।
কিসমত বিহানালী মহিলা সমাজ কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, সমিতি স্থাপানের পর মহিলা অধিদপ্তর থেকে গত ১৯৯৯ সালে নিবন্ধিত হয়। এর পর স্থানীয় মহিলারা সদস্য হিসাবে সমিতি পরিচালনা করে আসছিলেন।
তবে খতেজান নামের এক মহিলা অনুদান দেওয়ার কথা বলে সমিতির কাগজপত্র নিয়ে পরে তা নিজের কব্জায় রাখেন। গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের চাঁইসাড়া গ্রামে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং ওই সমিতির নামে আসা সরকারি অনুদান আতœসাত করেন।
বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর সমিতির পক্ষে থানায় জিডিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হয়। এ নিয়ে সমিতির ক্ষুব্ধ সদস্যরা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এদিকে সমিতির পক্ষে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সে মোতাবেক তদন্ত করার জন্য মঙ্গলবার জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার দপ্তরে উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে।
সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রিনা বেগম ও উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান এর সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, খতেজান সমিতি নিজের আয়ত্বে নিয়ে বিভিন্ন রকম অনিয়ম করেছেন। ওই সমিতির নামে সরকারি অনুদান ও ঋণ নেওয়া এবং অনুমতি ছাড়াই ক্ষুদ্রঋণ চালু করা হয়েছে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা একেএম ওয়াহিদুজ্জামান এর জানিয়েছিলেন, সমিতিটির সব কাগজপত্র মাড়িয়া ইউনিয়নের কিসমত বিহানালী গ্রামের ঠিকানায় রয়েছে। তবে কার্যক্রম অন্যত্র খতেজান বেগমের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। সমিতির সব অনুদান জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রহন করার সত্যতা পাওয়া গেছে।
খতেজান নিজ গ্রামে সমিতি পরিচালনা করার কথা স্বীকার করে জানান, তিনিই সমিতি পরিচালনা করছেন। তাদের অভিযোগ ঠিক নয়।