বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সাংবাদিকেরা সত্য বললে গুলি করে মারা হচ্ছে: ফখরুল

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৭
news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাংবাদিকেরা সত্য কথা বললে বা ছবি তুলতে গেলে গুলি করে মারা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ভাগ-বাঁটোয়ারার দ্বন্দ্বে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা প্রতিনিয়ত সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন ।

আজ রোববার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভায় মির্জা ফখরুল এই অভিযোগ করেন। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর বিএনপি ওই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

সম্প্রতি সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগের স্থানীয় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন সমকাল–এর প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল। এ ঘটনার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রতিদিন পত্র–পত্রিকা খুললে দেখা যায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের লোকজনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষের খবর। তাঁর দাবি, এই দ্বন্দ্ব লুটের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে। এখন দেশে কেউ নিরাপদ নয়। কারও ঘরে তরুণ ছেলে থাকলে পরিবার আতঙ্কে থাকে, বাসা থেকে বের হলে জঙ্গি বলে ধরা হয় কি না। জামায়াতে ইসলামীর ২৮ নারী কর্মীকে গ্রেপ্তারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, সেদিন মোহাম্মদপুর থেকে ২৮ জন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, তারা তাবলিগের আড়ালে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।

দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি মহল এক–এগারোর আগ থেকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছিল। তিনি এখন দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হচ্ছে। কিন্তু কোনো চেষ্টা সফল হবে না।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে প্রতিনিয়ত হাজিরা দিতে হচ্ছে। যেদিন তাঁর হাজিরা থাকে, সেদিন মনে হয় যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর কারণ সরকার জনগণকে ভয় পায়। কোটি কোটি মানুষ খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছেন। তাঁরা জেগে উঠলে সরকারের তখতে তাউস এক মুহূর্তের জন্যও টিকবে না।

ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বিএনপির নেতা আবদুস সালাম, আমান উল্লাহ, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।