শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

বাগমারার মৎস্য কর্মকর্তার উদ্যোগে সোতিজাল উচ্ছেদ, অর্থদণ্ড

SONALISOMOY.COM
আগস্ট ৯, ২০১৭
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাগমারায় বারানই নদে সোতিজাল দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমান আদালত অর্থদণ্ড দিয়েছেন। আগামী তিন দিনের মধ্যে নদ থেকে বেড়া অপসারণের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। এছাড়াও নদ থেকে সোতিজাল উদ্ধার করে সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এলিজা খাতুন বলেন, উপজেলার রামরামা গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বারানই নদে বাঁশের বেড়া দিয়ে মাছ ধরে আসছিলেন। এতে মা ও পোনামাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জালে আটকা পড়ে। এছাড়াও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধা সৃষ্টি ও নৌকা চলাচলে সমস্যা হয়ে আসছিল। খবর পেয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে বাগমারার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমান আদালত সেখানে অভিযান চালান। অভিযানকালে বেড়ার কিছু অংশ ভেঙে ফেলা এবং অপসারণ করা হয়। তবে আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রভাবশালীরা পালিয়ে যান। তবে মোহন নামের একজনকে আটক করেন আদালত। পরে তিনি নদে বাঁশের বেড়া দিয়ে বাঁশ ধরার অভিযোগ স্বীকার করেন এবং তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন আছেন বলে জানান। পরে তাঁর তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আদালতকে অর্থদণ্ড দিয়ে তিনি ছাড়া পান।এছাড়াও নদ থেকে অবৈধ জাল উদ্ধার করে সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসময় তাঁদের আগামী তিন দিনের মধ্যে বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্বাহী হাকিম আলমগীর হোসেন বলেন, বেড়াটি বড় হওয়ার কারণে ১০জন শ্রমিক দিয়ে পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে সেগুলো অপসারণের জন্য তিনদিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পুরোপুরি অপসারণ করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগেও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এলিজা খাতুন লাউপাড়া এলাকা থেকে আব্দুল আজিজ নামের এক প্রভাবশালীর সোতিজাল অপসারণ করেন। তিনি বাগমারায় যোগদানের পর থেকে মা ও পোনা মাছ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সাহসী কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছেন।