সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮

রাজশাহীতে আ.লীগের ১৯ নেতাকর্মীকে ‘আজন্ম যোদ্ধা’ খেতাব

SONALISOMOY.COM
জানুয়ারি ২৭, ২০১৮
news-image

রাজশাহী প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের জন্য সারাজীবন একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাওয়ায় রাজশাহীতে ১৯ নেতাকর্মীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাজশাহীতে আয়োজিত আওয়ামী পরিবারের মিলনমেলায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা প্রাপ্তদের উপাধি দেওয়া হয় ‘আওয়ামী লীগের আজন্ম যোদ্ধা’।

সংবর্ধনা প্রাপ্তরা হলেন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান, বদিউজ্জামান, সহ-সভাপতি জিনাতুন নেসা তালুকদার, বদরুজ্জামান রবু মিয়া, আবদুস সামাদ, আবদুস সোবহান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আঅম নুরুল আলম, জাতীয় কমিটির সদস্য একেএম আতাউর রহমান খান, মাহবুব জামান ভুলু ও ত্যাগী কর্মী শাহজাহান শামীম।

এছাড়াও সংবর্ধনা পেয়েছেন, গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবদুল বারী, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক চৌধুরী, সদস্য মোজাফফর হোসেন, প্রবীণ নেতা মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আজিজ, রেজাউল ইসলাম সেন্টু, নাজিমুদ্দিন সরকার, আবদুস সাত্তার সরকার, ও চারঘাটের নিমপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মেসের আলী।

শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় আয়োজিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় সংবর্ধনা প্রাপ্তরা নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে ওঠেন।

এ সময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান, মিলনমেলা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাবু, উপ-দপ্তর সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামাউন ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সারাদেশের মধ্যে প্রথম রাজশাহীতেই প্রতিবছর উৎসবমুখর পরিবেশে আওয়ামী পরিবারের মিলনমেলা আয়োজন করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের উদ্যোগে ২০১০ সালে প্রথম এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এ বছর অষ্টমবারের মতো এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে দলের বিভিন্ন স্তরের প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।