শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১৮

ধর্মীয় সম্প্রীতি উসকে দিয়ে ফায়দা লুটতে চায় বিএনপি জামাত

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৮
news-image

সোনালী সময়: ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকার যখন দেশের সব ধর্মাবলম্বী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে চলেছে, তখন স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ধর্মীয় বিভাজন এর মাধ্যমে কলুষিত করছে দেশের মানুষের পারস্পরিক ধর্মীয় সম্প্রীতিকে।

রাজনীতির মাঠে অযৌক্তিক দাবি-দাওয়া আদায়ে ব্যর্থ হয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন ই যেন হয়ে যায় বিএনপি-জামাতের শেষ অবলম্বন। আর তাইতো আন্তর্জাতিক মহলের চাপে যুদ্ধাপরাধী বিচারের রায় বানচালের প্রত্যাশায়, ২০১২ সালে বিএনপি-জামাত একজোট হয়ে কিভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বর নির্যাতন চালায় তা জাতির অজানা নয়।

২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার বিশেষ কয়েকটি ইউনিয়নে হিন্দু মেয়েরা থাকতে পারেননি। ক্ষমতায় থাকাকালীন এভাবেই দেশজুড়ে শত শত নারকীয় তান্ডব চালায় বিএনপি জামায়াত।

এছাড়া ২০০৯ নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের ভোট না পাওয়ায় ও ২০১৪ নির্বাচনে সংখ্যালঘুরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নেমে আসে বিএনপি-জামায়াতের অমানুষিক হামলা ও নির্যাতন।

আর ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত বিশ্ববাসীর কাছে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সংখ্যালঘুদের কত মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট করা হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে ২৬১টি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে , ২০১৬ সালে ২১০টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, ১৪১টি মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

শান্তিপ্রিয় সাধারণ দেশবাসীর মনে তাই জিজ্ঞাসা, ‘রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থে আর কত সংখ্যালঘু নির্যাতিত হলে বন্ধ হবে ধর্মীয় মৌলবাদ গোষ্ঠীর এই নোংরা রাজনীতি?’