রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতা রিন্টু ও রানার চমক

SONALISOMOY.COM
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮
news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক

পদ পেয়েই চমক দেখালেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রোকনুজ্জামান রিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা। সাবেক ছাত্রলীগের এ দুই নেতা পদ পাওয়ার পরই রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রসা ময়দানে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জনসভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত হন। যা কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নজরকাড়ে। জনসভা শেষ হওয়ার পরে এ দুই নেতার চমক নিয়ে রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গণে চলছে নানা আলোচনা।

জানা যায়, দীর্ঘ ১৫ বছর পর রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি। নতুন কমিটির সভাপতি করা হয় রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রোকনুজ্জামান রিন্টুকে। আর সাধারণ সম্পাদক করা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান রানাকে। নতুন কমিটির সভাপতি রোকনুজ্জামান রিন্টুর বাড়ি বাঘা ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানার বাড়ি বাগমারায়। তারা দুইজনই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান ও ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

এদিকে ২২ ফেব্রুয়ারি ছিল রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের জনসভা। এ জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনসভা উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে লাখো লোকের সমাগম ঘটে।

এ জনসভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত হন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এ দুই তরুণ নেতা। বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসা ময়দানে উপস্থিত জনসভার সামনের অংশ কিছু জায়গা তারা দখল করে নেয়। খয়েরি ক্যাপ পড়ে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে জনসভা। সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা নিজে শ্লোগান দেন। যা সাধারণ নেতাকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরকাড়ে। ছাত্রলীগের জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সফল এ দুই নেতা নতুন এ পদেও সফল হবেন বলে অনেকে মনে করছেন।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যে দ্বায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে সেটিতে কাজে লাগাবো। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে আমাদের যে প্রস্তুতি ছিল সেখানে সফল হয়েছি। ভবিষ্যতে দলীয় যে কোন কাজে সফল হবো।’

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যে আস্থা রেখে তাদেরকে নির্বাচন করেছেন সেই আস্থা রাখবেন বলেও দৃড় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ ২০০২ সালে ফখরুল ইসলামকে আহবায়ক ও অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদকে যুগ্ম আহবায়ক করে রাজশাহী জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর পর সাবেক ছাত্রলীগের এ দু’নেতাকে পদ দেয়া হয়।