মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮

বাগমারায় চেয়ারম্যানের মকবুলের ছেলে গণধোলায়ের শিকার

SONALISOMOY.COM
আগস্ট ২, ২০১৮
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারায় বেপরোয়া মটর সাইকেল চালানোর পাশাপাশি সাধারণ পথচারিকে মারপিটের ঘটনায় গণধোলায়ের শিকার হলো চেয়ারম্যানের ছেলে মনিরুজ্জামান সোহাগ।

সোহাগ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মৃধার ছেলে।

সোহাগ বৃহস্পতিবার বেলা ১ টার দিকে শ্রীপুর গ্রামের বাড়ি থেকে মাদারীগঞ্জ বাজারে দিকে একটি মটর সাইকেলে চড়ে ৩ বন্ধু যাচ্ছিল। মাদারীগঞ্জ বাজারের মুন্টু মিষ্টান্ন ভান্ডারের কাছে পৌছার পর একটি ভ্যানের সাথে ধাক্কা লাগে।

এমন ঘটনা দেখে চাঁন্দেরআড়া গ্রামের লায়েব নামের এক পথচারী হাটবার হওয়ায় বলে একটু ধিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে চেয়ারম্যানের ছেলে সোহাগ সহ তার ২ বন্ধু মটর সাইকেল থেকে নেমে এসে লায়েব আলীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে সোহাগ লায়েব আলীকে কিলঘুষি মেরে রক্তাক্ত করে এবং হাতে থাকা হেলমেটটি লায়েব আলী মাথায় ছুঁড়ে মারে।

পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মৃধার ছেলে সোহাগকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। মারপিটের এক পর্যায়ে পাশে থাকা গনিপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গ্রামপুলিশ এসে সোহাগকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে পরিষদে নেয়। ক্ষুব্ধ জনতার পরে পরিষদে ঢুকে সোহাগের উপর পুনরায় আক্রমন চালনোর চেষ্টা করে। এক সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পরিষদে ভাংচুর চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চালায়। পরে আহত লায়েব আলীকে ইউনিয়ন পরিষদে এনে চা ল্যকর এই ঘটনাটি মিমাংসার চেষ্টা করে। এর আগেও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ঘটানায় দেউলা চৌরাস্তার মোড়ে গণধোলায়ের শিকার হন।

এ ব্যাপারে গনিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুঞ্জু বলেন, সোহাগ বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাচ্ছিল এমন ঘটনায় লোকজন নিষেধ করলে সোহাগ লোকজনকে মারপিট করার ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে মিমাংসা উদ্যোগ নেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে সোহাগকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই ঘটনায় বাগমারা থানায় কোন অভিযোগ হয়নি বলে জানিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ নাছিম আহম্মেদ।