মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বাগমারায় জাতীয় খানা তথ্যভান্ডার শুমারীর লোক নিয়োগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

SONALISOMOY.COM
সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত জাতীয় খানা তথ্যভান্ডার শুমারী ২০১৮ গণনাকারী নিয়োগ দেয়াকে কেন্দ্র করে দ্বিমুখী আলোচনায় অবশেষে পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে যায়, সারা দেশের ন্যায় আগামী ২৮ সেপ্টম্বর হতে ১৬ অক্টোবর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত জাতীয় খানা তথ্যভান্ডার শুমারী ২০১৮ গননা করা হবে। এতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত জাতীয় খানা তথ্যভান্ডার শুমারী ২০১৮ গননাকারী হিসেবে উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভায় তদারকী কর্মকর্তা হিসেবে ১৭ জন, সুপার ভাইজার হিসেবে ৮৭ জন ও গননকারী হিসেবে ৪৮৭ জনকে লোকবল নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেয়। বাগমারা উপজেলার দায়ীত্ব প্রাপ্ত পরিসংখ্যান ব্যুরোর সমন্বয়কারী ফায়সাল আহম্মেদ জানান, শুমারীতে গণনাকারী ও সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ ব্যাপারে কিছু ত্রুটির অভিযোগ থাকায় পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সমাধান করা হয়। বাগমারা উপজেলার দায়ীত্ব প্রাপ্ত পরিসংখ্যান ব্যুরোর সমন্বয়কারীর সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসরের সিদ্ধান্তে নিয়োগ স্বচ্ছ রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিউল ইসলামের সহযোগীতায় গতকাল শনিবার খানা তথ্যভান্ডার শুমারীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ও ফলাফল নির্ধারন হয়েছে বলে জানান তিনি।

সূত্র মতে, গত বৃহস্পতিবার উপজেল পরিষদ মিলনায়তন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভায় পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকার কর্মকর্তা ও জেলা শুমারী সমন্বয়কারী আসগর আলী প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শুমারী কমিটির উপদেষ্টা এ্যাড. জাকিরুল হোসেন সান্টু। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সঠিক গণনাকারী ও সুপার ভাইজার হিসেবে নিয়োগ নিয়ে চেয়ারম্যানদের ও স্থানীয় কাউন্সিলারদের মধ্যে বাক বিতন্ডা বাধে। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাজে পরীক্ষা নিয়ে সমাধানের আহবান জানান। এই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার বিকেলে ওই সকল প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। ৪৮৭ জন পদের বিপরীদে ৬০৩ জন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিউল ইসলাম পরিসংখ্যান অফিসের কিছু ত্রুটির কথা স্বীকার করেন এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, স্বচ্ছ ভাবে লোক নিয়োগ করা হচ্ছে। এখানে স্বজনপ্রীতির কোন সুযোগ থাকবেনা বলে তিনি জানিয়েছেন।