রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

ঢাবি শিক্ষক খালেদ মাহমুদের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ৩, ২০১৮
news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক খালেদ মাহমুদের গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও তার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আজ সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে খালেদ মাহমুদের নামে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে সংহতি রেখে বক্তব্য প্রদান করেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) পরিচালক ড: সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও শিক্ষক সমিতির সদস্য অধ্যাপক নিজামুল হক ভুইয়াসহ অনেকে।

অধ্যাপক নিজামুল হক ভূইয়া বলেন, ‘খালেদ মাহমুদের শশুর র‌্যাবের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রী পুলিশের এএসপি। বিয়ের এত বছর পর তার নামে যৌতুকের মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তার বৃদ্ধ বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যখন আটক করা হয়েছিল থানায় আমরা খবর নিয়েছি তারা মরাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে যেন খালেদ মাহমুদ বের হতে না পারে। এটি দুঃখজনক, লজ্জাজনক। আমরা চাই খালেদ ন্যায় বিচার পাক, কিন্তু ন্যায় বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে কেউ প্রভাবিত করলে আমরা শিক্ষক সমিতি কঠোর কর্মসূচি দিব।’

এর আগে আইবিএ’র শিক্ষক খালেদ মাহমুদকে গ্রেফতারের পর গত শুক্রবার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ ও পর্যবেক্ষণের কথা জানান। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই শিক্ষকের গ্রেফতারের প্রতিবাদে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এর সাবেক চেয়ারম্যান ড: মিজানুর রহমান বলেন, আমার কাছে এই মামলাগুলো অসামঞ্জস্যপূর্ন ও বানোয়াট মনে হয়েছে, আমি এর সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, ২১ নভেম্বর ধর্ষণের অভিযোগে খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগকারীর স্বামী মামলা দায়ের করেন। রাতে ভাটারা থানার পুলিশ রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে খালেদ মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়। ২২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর হাকিম শাহিনূর রহমান এই শিক্ষকের জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান।