সোমবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৯

বাগমারায় জনসমর্থনে এগিয়ে এনামুল হক

SONALISOMOY.COM
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮
news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন নির্বাচনে রাজশাহী-৪(বাগমারা) আসনে গণজোয়ারে ভাসছে নৌকা। পৌষের হিমশীতল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে প্রার্থীরা গভীর রাত অবদি প্রচারনা চালাচ্ছেন।কর্মী-সমর্থকরা পোষ্টারিং, লিফলেট বিতরণ, গান বাজনা সহ ফেসবুক প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বাগমারার বিভিন্ন গ্রামে ও হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রার্থীদের কর্মি-সমর্থকরা পাড়া-গ্রামে গণসংযোগ করছেন।

উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউপির চেইখালী বাজারে ছেয়ে গেছে নৌকার পোস্টারে। চলছে ডিজিটাল প্রচারনা। গোয়ালকান্দি বাজারেও একই চিত্র। হামিরকুৎসাতেও ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়নি। চারিদিকে নৌকার প্রচারনায় নির্বাচনী মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে।

তবে উল্টো চিত্র লক্ষ্য করা গেছে ধানের শীষের প্রচারে-রামরামা থেকে শিকদারী বাজার পর্যন্ত বিএনপি প্রার্থীর কোন পোষ্টার বা লিফলেট চোখে পড়েনি।

এসব এলাকায় ধানের শীষের প্রচার না থাকায় বিষয়টি নিয়ে কথা হয় চেউখালী বাজারের এক চা দোকানির সাথে, নাম না লেখার শর্তে তিনি বলেন, ধানের শীষের আবু হেনা এমপি থাকাকালে আমাদের এলাকায় সর্বহারা-জেএমবি আস্তানা গেড়েছিলো বহু মানুষকে নানা রকম নির্যাতন সহ হত্যা করেছিলো। বাগমারায় সবচাইতে বেশী নির্যাতিত ও ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছিলো এই এলাকার মানুষ। কিন্তু তৎকালীন এমপি আবু হেনা কোন ব্যবস্থাই নেননি। তাঁর কাছে কোন প্রতিকার পায়নি এলাকার মানুষ। তাই আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠায় নৌকাকে বিজয়ী করার জন্যে এক হয়েছি।

বাগমারার গোয়ালকান্দি, হামিরকুৎসা, মাড়িয়ায় ধানের শীষের দু-একটা পোষ্টার ছাড়া তেমন কোন প্রচারনা চোখে পড়েনি।এমনকি এসব এলাকায় কোন নির্বাচন পরিচালনা ক্যাম্পও দেখা যায়নি। তবে ধানের শীষের জমজমাট প্রচারনা লক্ষ করা গেছে বাগমারার দ্বীপপুর, কাচারী কোয়ালীপাড়া,গণিপুর ইউপির কিছু এলাকাসহ শ্রীপুর ও তাহেরপুর পৌরসভায়।

শ্রীপুর ইউপি সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আজাদ হোসেন নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা সম্পর্কে বলেন, শ্রীপুর দলমত নির্বিশেষে স্থানীয় নেতা-কর্মিরা সম্পুর্ন স্বাধীনভাবে নির্বাচনী গণসংযোগ করছেন। কোথাও কোন বাধা-বিপত্তির খবর এখন পর্যন্ত শুনি নাই।

এছাড়া তাহেরপুর পৌর এলাকাতেও ধানের শীষের প্রচারণা লক্ষ্য করা গেছে। সেখানে মিছিল, মিটিং, পথসভা থেকে শুরু করে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আবু হেনার পোষ্টার মহাজোট প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের পাশাপাশি সাটানো হয়েছে। ভোটের বিশ্লেষকরা মনে করছেন নির্বাচনী ময়দানে আবু হেনার অতীত অভিজ্ঞতা আমলে নেওয়ার মত বিষয়। কারণ হিসেবে তারা ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী জিন্নাতুন নেছা তালুকদার সহ এ্যাডঃ ইব্রাহিমকে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে পরাজিতত করেন। তাই নৌকার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নৌকাকে বিজয়ী হতে হলে বাগমারায় ধানের শীষের ভোটার সমর্থক অধ্যুষিত এলাকা আমলে নিয়ে নৌকাকে এগোতে হবে।