শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯

ফারুক হাসান তুহিনকে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চান নেতা-কর্মীরা

edit

SONALISOMOY.COM
নভেম্বর ৯, ২০১৯
news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের যুব রাজনীতির ইতিহাসে ফারুক হাসান তুহিন একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল মিটিং এ সামনের কাতারে থেকে যিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তিনি হচ্ছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন।

সম্প্রতি ক্যাসিনোকান্ডে ধসে পড়েছে যুবলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। তার মাঝেও নক্ষত্র হয়ে আছেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন। তার নৈতিক গুণাবলি, কর্মীবান্ধবতা, ব্যক্তিগত ইমেজ, জনসংযোগ, ত্যাগী মনোভাব, জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারকরাও তার প্রতি সন্তুষ্ট। আগামী সম্মেলনে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসিবে পেতে চান সারা বাংলাদেশের তৃণমূল যুবলীগের সক্রিয় নেতাকর্মীরা।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ফারুক হাসান তুহিনের প্রতি সাভার-আশুলিয়া তথা দেশের সর্বস্তরের জনগণও অত্যন্ত ইতিবাচক। তাদের দাবি যুবলীগকে কলঙ্কমুক্ত ও সফল সংগঠন হিসেবে এশিয়া মহাদেশে পরিচিতি করতে পারেন ফারুক হাসান তুহিন। আর তরুণ নেতা যদি উচ্চ পদে স্থান পায় তাহলে তো কোনো কথাই থাকে না। কেননা এই তরুণ নেতার চিন্তা-ভাবনা অনেক গতানুগতিক ও প্রগতিশীল। তাই তাকে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে উন্মুখ কর্মী থেকে সাধারণ জনগন। বরিশাল বিভাগ যুবলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ফারুক হাসান তুহিন এর নেতৃত্বে বৃহত্তম বরিশাল যুবলীগ এক একটি সুসংগঠিত ও কর্মী বান্ধব যুবলীগ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

এছাড়া আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত অনেক সিনিয়র নেতা-কর্মীরাও ফারুক হাসান তুহিনকে যুবলীগের বড় পদে দেখতে চান। তাদের দাবি, ছাত্রজীবন থেকে যুবলীগের যে সংগ্রাম তিনি করে এসেছেন তার শীর্ষ নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। কেননা যারা ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতি করে আসছে তারাই বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শের সৈনিক। তারা মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে। আর ফারুক হাসান তুহিন ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। এছাড়াও তিনি যুবলীগের একজন তৃণমূল পর্যায়ের নেতা। তার বাবা আলহাজ্ব আব্দুল গণি সাভার পৌরসভার একজন সফল মেয়র। তিনি নৌকা প্রতীক থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সাভার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাই এসব দিক বিবেচনা করে ফারুক হাসান তুহিনকে যুবলীগের শীর্ষ পদে দেখতে চান অনেকেই।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফারুক হাসান তুহিন

ফারুক হাসান তুহিন ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ত্যাগী এই নেতা ১৯৮৯-৯১ সাল পর্যন্ত সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালযের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেন। একজন ছাত্রবান্ধব নেতা হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে তুলতে সক্ষম হওয়ায় ১৯৯২-৯৩ সালে সর্বোচ্চ ভোটে তিনি সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত হন। এছাড়া ১৯৯৩ সালে তিনি সাভার পৌর ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি অবিভক্ত ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। ২০০৩ সালে তিনি ঢাকা জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে তিনি প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

শৈশব থেকেই ফারুক হাসান তুহিনের মধ্যে একটা জনসেবামূলক মনোভাব ছিল। জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে তিনি নিজেকে জড়িত রেখেছেন। প্রতি বছর শীতার্তদের মাঝে তিনি শীতবস্ত্র, কম্বল বিতরণ, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, এলাকার দুঃস্থ ও গরীব মানুষের মাঝে নগদ অর্থ, দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিনসহ গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আত্মকর্মসংস্থান করা লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এসব জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড তাকে জনগণের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

যুবলীগের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের ফারুক হাসান তুহিন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে এখন উন্নয়নের জোয়ার বইছে। তার নির্দেশে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে তা একদিন এই বাঙালী জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করবে।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাকে শীর্ষ নেতৃত্ব উপহার দিবে আমরা সকলে এক হয়ে তার সাথেই কাজ করবো। ফারুক হাসান তুহিন দৃঢ়চিত্তে উচ্চারণ করেছেন ‘‘যতদিন বেঁচে আছি, শরীরের রক্ত আছে ততদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে মেনে চলবো। প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আমার প্রথম ও শেষ ঠিকানা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অন্তরে লালন করে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার আর্শিবাদ নিয়ে রাজপথে, আন্দোলন-সংগ্রামে, উন্নয়নে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত ছিলাম, আছি এবং থাকবো।’’