রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৯

একজন আলোকিত সাদা মনের মানুষ আকাশ কুমার ভৌমিক

SONALISOMOY.COM
নভেম্বর ২৪, ২০১৯
news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক: একজন আলোকিত সাদা মনের মানুষ আকাশ কুমার ভৌমিক বর্তমান যুগটা বড়ই যান্ত্রিক। এ যুগে মানুষ বড়ো আত্মকেন্দ্রিক। নিজের জগত নিয়ে ব্যস্ত হওয়ায় অন্যকিছু নিয়ে ভাবার সময় কারোর নেই। মানুষ যেন ভুলে গেছে গীতার সেই অমৃত বানী “যত্র জীব তত্র শিব” অর্থাৎ স্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যেই শিব বা সৃষ্টিকর্তা বিরাজমান । আর সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিকে ভালবাসলেই স্রষ্টার নৈকট্য লাভ সম্ভব। স্বার্থপর পৃথিবীতে নিজস্বার্থ ছেড়ে নিস্বার্থ হওয়া সাদা মনের মানুষ পাওয়া ভার। কিন্ত এই কঠিন ব্যস্তবতায়ও কিছু মানুষ থাকে যাঁদের জন্যই বোধকরি আমরা এগিয়ে যাবার আলো দেখতে পাই। তেমনি একজন আলোকিত মানুষ ও স্থানীয় সৎ নেতা হিসাবে আকাশ কুমার ভৌমিক বেশ পরিচিত ।

কিছু না লিখলে বা না দাগ দিলে যেমন সাদা কাগজের মূল্য থাকে না, ঠিক তেমনি ব্যক্তির জীবনে মনুষ্যত্ব কাজ বা গুন প্রকাশ না হলে প্রকৃত মানুষ তাকে বলে কি? আমরা এই কলমে এমন এক মানুষকে তুলে ধরতে চাই যার হৃদয, কাজ, চেহারা, ব্যক্তিত্ব অতুলনীয়। হৃদয়টা হচ্ছে শিশুতুল্য সহজসরল, স্নেহ-ভালোববাসায় পূর্ণ। স্বার্থ ছাড়া অতি পরিশ্রমী, অসহায়কে সাহায্য দানই হচ্ছে তাঁর কাজ । আর যদি চেহারার কথা বলি, তাহলে বলবো হাজারো লোকের মাঝেও আমি তাঁর মিল পাইনি । সাধারন পোশাক-আশাক পড়েই তিনি একজন সুন্দর ব্যক্তিত্বের অধিকারী। বিভিন্ন জাগায় ছড়িয়ে আছেন বলেই হয়তো বা আপনারা জানেন না একটি স্বর্গ সুখের রাজ্য আছে । সবাই এখানে সুখী । আর কেনই বা সুখী তা জানানোর জন্যই এই লেখা । আকাশ কুমার ভৌমিক শুধূ পরিবারের চোখেই নয়, আরো অনেকের চোখেই তিনি এক সাদা মনের মানুষ।.আকাশ কুমার ভৌমিক পরিবারের খরচ মেটানোর পর আয়ের বাড়তি অংশ নিয়ে অনাথ শিশুর,দরিদ্র মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। আকাশ কুমার ভৌমিক অনেক আগে থেকেই প্রানের ইচ্ছা ছিল সমাজের জন্য বা দেশের উপকারের জন্য কিছু করতে । যখন তাঁর এই সময়ে সেই সন্তানগুলো কিছু খাবার, ভালবাসার জন্য তাঁর সামনে কেঁদে উঠলো-তখনই তিনি মনোস্থির করলেন এদের জন্য কষ্ট হলেও কাজ করবেন । আর সেইদিন থেকেই শুরু করলেন এক নতুন জীবন । তার প্রচেষ্ঠায় অনেক সন্তাকে কর্ম নিশ্চিত করে তাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছেন । দিন দিন তাঁর শিশু সন্তান বেড়েই চলেছে । নিজ সন্তানদের মতো সকলকেই তিনি বুকে তুলে নিলেন । খাবার ও জিনিস পত্রের অভাব সেই শিশু সন্তানদের ছিল ঠিকই কিন্তু বাবা মার স্নেহ ভালোবাসার অভাব তখনও বুঝতে দেননি সেই রক্ত বাধঁন ছাড়া, ঠিকানাহীন, অবহেলিত শিশুদের ।

এ সমস্ত বাচ্চাদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্যই তিনি অদম্য ভাবে কাজ করছেন। আর দিনের কর্মকান্ডের শেষে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন চোখের জল দিয়ে । এরপর কিভাবে চলবেন! তাঁর একটাই বিশ্বাস ছিল যে সৃৃষ্টিকর্তা সব জানেন, তিনি কাউকে নিরাশ করেন না । আর এই প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে চলছেন তিনি ।