শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯

সিলেট মহানগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে সরব আলোচনায় এডভোকেট সেলিম

SONALISOMOY.COM
নভেম্বর ২৯, ২০১৯
news-image

কাজী শামীম: আগামী ৩০ নভেম্বর সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ এর সম্মেলনকে সামনে রেখে তৎপর রয়েছেন পদ প্রত্যাশীরা। দীর্ঘ ৮ বছর পর পরিবর্তনের হাওয়া নিয়ে আসতে পারে সিলেট মহানগরের নেতৃত্ব।

সম্মেলনকে ঘিরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রায় এক ডজনের বেশি প্রার্থী রয়েছেন।

বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করতে প্রস্তুুত আছেন এডভোকেট সালেহ আহমেদ সেলিম।

হাইকমান্ডের ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এবং সংগঠনের নেতাকর্মীদের অগাধ সমর্থনে সাধারণ সম্পাদক পদে সরব আলোচনায় আছেন সিলেট সিটিকর্পোরেশন এর ২২ নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর এডভোকেট সালেহ আহমেদ সেলিম।

১৯৮০’র দশকের শুরুর দিকে বিয়ানীবাজার দেউল গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম। মূলত বঙ্গবন্ধু অনুসারী পারিবারিক আবহে রাজনীতির দীক্ষা নেওয়া ছালেহ আহমদ সেলিম ১৯৮৭ সালে নির্বাচিত হন মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের একাদশ শ্রেনী শাখার সভাপতি। সাংগঠিনক দক্ষতা এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সাহসী ভূমিকার কারণে ১৯৮৯ সালে গঠিত মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি অর্থ সম্পাদকের দায়িত্বে নির্বাচিত হন।এছাড়াও ৯১-৯৪ সাল পর্যন্ত সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সম্মূখ সারীর এই ছাত্রনেতা ভূমিকা রাখেন প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে। যোগ্যতা আর ভূমিকার মানদন্ডে ১৯৯১ সালে তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৯৪-৯৫ শিক্ষবর্ষে সিলেট ‘ল’ কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি নির্বাচিত হন। অসাধারণ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নিয়ে একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন সিলেট মহানগর ২২ নং ওয়ার্ড তথা শাহজালাল উপশহরের। জনসাধারণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বর্তমান মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে কাজ করা এডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিম আসন্ন সম্মেলনে মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন আলোচনায়। সামাজিক মাধ্যম সহ তৃণমূলের অনেকেই ত্যাগী এই সাবেক ছাত্রনেতাকে দেখতে চান আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে। সম্মেলন প্রসঙ্গে ছালেহ আহমদ সেলিম বলেন, আমার নেত্রী দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর আমার অগাধ শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস রয়েছে, আমার নেত্রী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনোই ভুল করেন না আর তাই আমার ভূমিকা এবং রাজনৈতিক অতীত বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় নেতৃত্বে আমাকে যে দায়িত্ব দিবেন সেই দায়িত্ব পালনেই আমি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি।

এছাড়াও আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে মেনে নেবো।