রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২০

বাগমারার মাড়িয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী শাহজাহান

SONALISOMOY.COM
জানুয়ারি ৫, ২০২০
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারায় বেজে উঠেছে ইউনিয়ন আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের ঢোল। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে এরই মধ্যে নিজের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেছে অনেকেই। এবারের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে নতুন এবং তরুনরা প্রাধান্য পেতে পারে। বিভিন্ন ইউনিয়নে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে পারে পরিবর্তনের ছোঁয়া। সেই কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে থাকছে একাধিক প্রার্থী।

প্রতিটি ইউনিয়নে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন পর্যায়ে আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল।

আগামী ১১ জানুয়ারী ১০ নং মাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে কাউন্সিল। সেই কাউন্সিলে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে থাকতে পারে একাধিক প্রার্থী। তরুণ প্রজন্মের উদীয়মান সৎ, যোগ্য, নিষ্ঠাবান হিসেবে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন মাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আকবর আলী সুযোগ্য ছেলে শাহজাহান আলী। দীর্ঘদিন থেকেই রাজনীতির মাঠে থেকে কাজ করে চলেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে।

শাহজাহান আলীর বাড়ি মাড়িয়া ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে। বর্তমানে ২ নং ওয়ার্ড আ’লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন তিনি। বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা তার। তখন থেকেই দলের সাথে কাজ শুরু করেন শাহজাহান আলী। মানুষের ভালবাসা আর দলের স্বার্থে কাজ করতে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি।
আগামী ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের প্রার্থী হিসেবে এরই মধ্যে প্রচারণা শুরু করেছেন শাহজাহান আলী। তরুণ রাজনৈতিক হিসেবে দলের প্রয়োজনে কাজ করার আগ্রহ নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

এ ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শাহজাহান আলী জানায়, আমি দীর্ঘদিন থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত আছি। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে তাহলে আমি নির্বাচন করবো। যেহেতু ইউনিয়ন কমিটি অনুমোদন দেবেন উপজেলা কমিটি তাই তারা চাইলে আমি নির্বাচিত হতে পারি।

তিনি আরো বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষ ও দেশের স্বার্থে ব্যক্তি স্বার্থে নয়। ইউনিয়নের কাউন্সিলরা আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদে চাচ্ছেন তাই আমি নির্বাচনে এসেছি। রাজনীতি নিজের প্রয়োজনে না। আমি রাজনীতি করি জনগণের প্রয়োজনে। ইউনিয়নের আগামী কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে পারলে তৃলমূলের রাজনীতি আরো বেগবান ও শাক্তিশালী হবে বলে আমি মনে করি।