বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১

ওসি মোস্তাকের নেতৃত্বে অপরাধ কমেছে বাগমারায়

SONALISOMOY.COM
আগস্ট ১১, ২০২১
news-image

বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা জুড়ে এখন শান্তি বিরাজ করছে। কমে গেছে মামলা-হামলা সহ চুরি, ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদের দুরদর্শীতায় বর্তমানে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথে নেয়া হয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। তথ্য উদঘাটন সহ ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় নেয়া হয়। এতে করে বাগমারায় আইন শৃংখলায় ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারছে লোকজন। কোন প্রকার দালালি ছাড়ায় সরাসরি লোকজন থানায় গিয়ে তার সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারছেন। গত বছরের ১১ নভেম্বর মোস্তাক আহম্মেদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বাগমারা থানায় যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি আত্মমানবতার সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করে ইতোমধ্যে জেলায় তিন বারের মতো শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। এটা বাগমারাবাসীর জন্য শান্তির বার্তা। এরই মধ্যে কাজের মধ্যে দিয়ে প্রশংসা অর্জন করে বাগমারাবাসীর।

এছাড়াও তিনি যোগদানের পরপরই বাগমারা থানা দালাল মুক্ত ঘোষণা করেছেন। এর ফলে অপরাধ কমেছে অনেকটাই। এদিকে দালাল আর চাঁদাবাজ মুক্ত করতে গিয়ে পড়েছে ওই চক্রের রোষানলে। মোস্তাক আহম্মেদের ধারাবাহিক অর্জন নষ্ট করতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন। এর আগে মোস্তাক আহম্মেদ রাজশাহীর মোহনপুর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে সততার সাথে চাকরী করেছেন। সেখানেও তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করেছিলেন।

সম্প্রতি বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের মুগাইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবণের ঠিকাদারের নিকট চাঁদা দাবী করে একটি চক্র। চাঁদা না দিলে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়ার হুমকী দেয়। এ সময় তাদের চাহিদা মতো চাঁদা না দেয়ার ফলে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে ওই বিদালয়ে প্রধান শিক্ষক নির্মাণ কাজ সচল রাখতে তাদেরকে চাঁদা দিতে বাধ্য হয়। তারপরও পুনরায় ঠিকাদারের নিকট মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে। অবশেষে মুগাইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক নামধারী চপল সহ ৭ জনকে আসামী করে বাগমারা থানায় একটি চাঁদাবাজীর মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ।

রাজশাহী নগর পুলিশের একজন উদ্ধর্তন কর্মকর্তা বলেন, এদের মডেল প্রেসক্লাব থেকে বের করে দেওয়ার পরে এদের উপর নজরদারি চলছে। এদের অনেকের বিরুদ্ধে মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। যারা প্রকৃত সাংবাদিক তাদের কেউ এই চপলের সাথে নেই। মামলা হয়ার পর থেকেই চপল সহ অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ প্রসঙ্গে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, চপল সহ তার সহযোগিরা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড সহ চাঁদাবাজী করে আসছিলেন। তিনি আরো বলেন, আমি পূর্বে মোহনপুর থানায় ওসি থাকাকালীন সময়ে সেখানে চাঁদাবাজীর অভিযোগে এই চপলের নামে মামলা হয়। মৌগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আল-আমিন নিজেই চপলের অনেক অপকর্মের সাক্ষী। এ ছাড়াও আসামী চপলের বিরুদ্ধে প্রতারণা জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিজের অপকর্ম ঢাকতে নানান প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।